খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

ফিচার: ক্ষুধার্ত দরিদ্রের কথা কেউ শোনে না

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফিচার: ক্ষুধার্ত দরিদ্রের কথা কেউ শোনে না

সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র, নিপীড়িত, নির্যাতিত অসহায় মানুষগুলির কথা কেউ শোনে না। কেউ শুনতে চায়ও না। 

সমাজের অতি চালাক ধনী লোকগুলো বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ক্ষুধার্ত দরিদ্র লোকদের কষ্ট এবং যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দেয়। কিভাবে দরিদ্র লোকদের পেশা থেকে তাদেরকে ছিটকে ফেলে দেওয়া যাবে, কিভাবে তাদের চাকরিহারা করা যাবে, কিভাবে তাদের ব্যবসা এবং কৃষিকাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে আরো দরিদ্র বানিয়ে দেয়া যাবে — সেটাই ধনী লোকদের কৌশলের একটা অংশ।

দরিদ্র, নিপীড়িত, ক্ষুধার্ত লোক ঠিকমত তিন বেলা খেতে পায় না। সন্তানদেরকে খাওয়াতে পারে না, বৃদ্ধ বাবা-মাকেও খাওয়াতে পারে না। তারা ঠিকমত সময়মত বাসা ভাড়া দিতে পারে না। অসুখ-বিসুখ হলে চিকিৎসার টাকা তাদের থাকে না, শরীরের টেস্ট বা পরীক্ষা-নিরীক্ষারও কোন টাকা থাকে না। 

উপায়ান্তর না পেয়ে তারা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে লম্বা লাইনে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখানেও টাকা লাগে। তারপরে তারা বিভিন্ন কবিরাজ, ঝার-ফুঁকের পানি খেয়ে অবশেষে ধুকে ধুকে মরে যায়। আসলে দরিদ্র লোকদের কষ্টের কোন শেষ থাকে না।

একটি সরকার অনেকদিন ক্ষমতায় থাকার পরে নতুন সরকারের দিকে তারা অধীর অপেক্ষায় বসে থাকে। ভাবে নতুন সরকার হয়তো তাদের দরিদ্রদের কথা শুনবে, তাদের দারিদ্র্য দূর করার জন্য অনেক চেষ্টা করবে। কিন্তু নতুন পরিকল্পনা, নতুন সরকারগুলো শুধু ধনী কিভাবে ধনী বানানো যায়, গরীবকে কিভাবে আরো গরিব বানানো যায় সেই পরিকল্পনাতেই সবসময় মত্ত থাকে।

কোন সমাজপতি, কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মাথায় দরিদ্রের স্বপ্ন-ইচ্ছা তত বেশি কাজ করে না। দরিদ্র লোকগুলো যেন গাছের মরা পাতা, দরিদ্র লোকগুলো যেন ধনী লোকের পায়ের ধুলো। 

ধনীরা ভাবে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে শুধু আমরাই থাকব, আমরাই বাঁচব। দরিদ্র লোকগুলো কেন আমাদের সুখ এবং আরামের বিলাসিতার প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড়ায়? 

দরিদ্র লোকগুলো তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা ঠিকমতো করাতে পারে না। গ্রামে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ঠিকমতো খাবার-দাবার দিতে পারে না। দরিদ্র আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নিতে পারে না। 

অথচ দরিদ্র মানুষেরও একটি স্বপ্ন ছিল, একটা ভবিষ্যৎ ছিল, কি সুন্দর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু যে সমাজে তার বসবাস সেই সমাজের নেতৃস্থানীয় লোকগুলো তাকে সহযোগিতা করল না, বিধায় দরিদ্র লোকটি আরো দরিদ্র রয়ে গেল।

সমাজপতিদের পরিকল্পনার মধ্যে ধনী-দরিদ্র সকলকে নিয়ে পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। তাদের পরিকল্পনায় থাকা উচিত ছিল সবার জন্য খাবার, সবার জন্য বাসস্থান, সবার জন্য শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন। 

কিন্তু দরিদ্র লোকগুলো শুধু কেঁদে গেল, আফসোস করে গেল। তাদের সুন্দর স্বপ্নটা শুধু অপূর্ণতায় রয়ে গেল।

- মোঃ মাহাবুবুর রহমান  
ফিচার সম্পাদক, বিপিসি বাংলা

সৌদি আরবের দাম্মাম ও জেদ্দা রুটে ফ্লাইট চালু করল বিমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদি আরবের দাম্মাম ও জেদ্দা রুটে ফ্লাইট চালু করল বিমান

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় দেশটির বিভিন্ন রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জেদ্দা রুটেও নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনা করবে সংস্থাটি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে সৌদি আরবের দাম্মামের উদ্দেশে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। এসব ফ্লাইট পরিচালনায় বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

এদিকে, ২২ অক্টোবর ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে একটি করে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে।

অন্যদিকে, মদিনাগামী ফ্লাইটের কার্যক্রম নিয়মিত রয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ রুটে ফ্লাইট চলাচল ও সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তিতাসে দুই গ্যাসকূপ খননে ব্যয় ৫৯২ কোটি টাকা, মিলবে দৈনিক ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাসে দুটি নতুন অনুসন্ধানমূলক ও উন্নয়ন কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামের কূপ দুটি খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা। কূপ দুটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হওয়ার আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

‘তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে দুটি অনুসন্ধানমূলক ও উন্নয়ন কূপ (তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩) খনন’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পেট্রোবাংলার কোম্পানি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং বিজিএফসিএলের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

১০ বছরে মিলতে পারে ১০০ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, নতুন দুটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কূপ দুটি থেকে দৈনিক ১৮ ব্যারেল কনডেনসেটও পাওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, নতুন কূপের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করবে। দেশে গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

আব্দুল মান্নান আরও জানান, ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরপর ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কূপ দুটি থেকে ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাস এবং ৬০ হাজার ৪৪৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদন করা সম্ভব হতে পারে।

বিজিএফসিএলের বর্তমান উৎপাদনস্থলের মূল্য বা ওয়েলহেড প্রাইস বিবেচনায় গ্যাস ও কনডেনসেটের মোট আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৩৩৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে গ্যাসের মূল্য ২৮৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং কনডেনসেটের মূল্য ৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ভোক্তা পর্যায়ের গ্যাসের দাম বিবেচনায় একই সময়ে উৎপাদিত গ্যাসের আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৬ হাজার ৫২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

তিতাস থেকে দৈনিক উৎপাদন ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট

বর্তমানে বিজিএফসিএলের ছয়টি উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৮০ থেকে ৪৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। কোম্পানিটির সবচেয়ে বড় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে খনন করা ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।

২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে পরিচালিত ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নতুন কূপ খননের প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য পর্যালোচনার জন্য বিজিএফসিএল চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (সিএনপিসি) প্রতিষ্ঠান বিজিপি ইনকরপোরেটেডকে নিয়োগ দিয়েছিল। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে ১৬টি নতুন কূপ এবং সাতটি গভীর কূপ খননের সুপারিশ করে।

স্থলভাগে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের সরকারি পরিকল্পনার আওতায় তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ কূপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদেশি ঠিকাদারের মাধ্যমে কূপ দুটি খনন, দেশি ও বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, গ্যাস সংগ্রহের পাইপলাইন স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ করা হবে।

ব্যয় কমেছে ৪০ কোটি টাকা

ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি (আইআইএফসি) ২০২৬ সালে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে। পরিকল্পনা কমিশনের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলএনজি আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং শিল্পোন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) ২০২৬ সালের ১৮ জুনের সভায় প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে প্রস্তাবিত ৬৩২ কোটি টাকা থেকে ৪০ কোটি টাকা কমিয়ে প্রকল্পের ব্যয় ৫৯২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৬ ধরনের সেবা চালু করছে এএবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সড়ক দুর্ঘটনা সহায়তা কেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এএবি)। এ কেন্দ্র থেকে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কাউন্সেলিং, চিকিৎসাসহায়তা, আইনি পরামর্শ, বিমা দাবি নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় তথ্য এবং আর্থিক সহায়তাসহ ছয় ধরনের সেবা দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর মগবাজারে এএবির প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‘নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালন করে সংস্থাটি। এ উপলক্ষে ‘আইন মেনে চলব, নিরাপদে ঘরে ফিরব’ স্লোগানে ‘এএবি জিরো কন্ট্যাক্ট প্রচারণা’ চালানো হয়।

এএবি জানায়, সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া, জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর দেওয়া এবং আহত ব্যক্তিকে নিরাপদে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের ও পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই সড়ক দুর্ঘটনা সহায়তা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, সহায়তা কেন্দ্র থেকে পেশাদার কাউন্সেলরদের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ, চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শ ও সহযোগিতা এবং আইনজীবীদের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ ও প্রতিনিধিত্বের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া বিমার দাবি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহযোগিতা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে।

জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে এএবি। এর অংশ হিসেবে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে একটি সড়ক নিরাপত্তা র‍্যালি বের করা হয়। পরে বাস, রাইড শেয়ারিং ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালক এবং রিকশা ও সিএনজিচালকদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট ও আন্তর্জাতিক অটোমোবাইল ফেডারেশনের (এফআইএ) সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক ‘গোল্ডেন রুলস’ কার্ড বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এএবির সভাপতি ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কেসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সাইদুল ইসলাম।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম